সারাদেশ

ডিমের দাম কমলেও স্বস্তি নেই মাছ ও মাংসের বাজারে

  প্রতিনিধি 18 September 2026 , 7:03:56 প্রিন্ট সংস্করণ

রাজধানীর খুচরা বাজারগুলোতে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামে তেমন কোনো স্বস্তি মেলেনি। শুক্রবার বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, মাছ, মাংস ও মুরগির দাম প্রায় আগের মতোই স্থিতিশীল রয়েছে। তবে ব্যতিক্রম কেবল ডিমের বাজার, যেখানে সপ্তাহের ব্যবধানে ডজনপ্রতি ১০ টাকা পর্যন্ত দাম কমেছে। বর্তমানে প্রতি ডজন ব্রয়লার সাদা ডিম ১৪০ টাকা এবং ব্রাউন ডিম ১৪৫ থেকে ১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা গত সপ্তাহে ছিল ১৫০ থেকে ১৫৫ টাকা।

বাজারে মুরগির দামেও বড় কোনো হেরফের হয়নি। বিক্রেতারা জানিয়েছেন, ব্রয়লার মুরগি প্রতি কেজি ১৯০ টাকা এবং সোনালি মুরগি ২১০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এদিকে সোনালি, হাইব্রিড ও লেয়ার মুরগির দাম কেজিতে ১০ টাকা পর্যন্ত কমেছে। বর্তমানে সোনালি মুরগি ৩১০ থেকে ৩২০ টাকা, হাইব্রিড ২৯০ থেকে ৩০০ টাকা এবং লেয়ার মুরগি ৩৫০ টাকা কেজি দরে পাওয়া যাচ্ছে। অন্যদিকে, গরুর মাংসের দাম অপরিবর্তিত থেকে প্রতি কেজি ৮০০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে।

মাছের বাজারে অস্থিরতা কাটছে না। চাষের পাঙাশ প্রতি কেজি ২৩০ থেকে ২৫০ টাকা এবং তেলাপিয়া ২৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা মধ্যবিত্ত ক্রেতাদের জন্য বেশ চাপের। এছাড়া অন্যান্য মাছের মধ্যে চিংড়ি ৮০০ থেকে ৯০০ টাকা, পাবদা ৩৫০ থেকে ৪৫০ টাকা, বড় রুই ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা এবং মাঝারি রুই ২৭০ থেকে ৩৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ট্যাংরা ৭০০ টাকা, ভেটকি ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, মৃগেল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা এবং বাইম মাছ ৭০০ থেকে ৮০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দেশি কই ও শোল মাছের দাম কেজিপ্রতি ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা এবং চাষের কই ও পোয়া মাছ ২৬০ টাকা দরে পাওয়া যাচ্ছে। শিং মাছের দাম আকারভেদে ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা। রূপচাঁদা, শোল ও নদীর বেলে মাছের কেজি এখনো হাজার টাকার ওপরে রয়েছে। ক্রেতাদের মতে, মাছের দাম চড়া থাকায় নিম্নবিত্ত ও সীমিত আয়ের মানুষের জন্য এসব প্রয়োজনীয় পুষ্টি জোগাড় করা কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তবে কোনো কোনো মাছের দাম কেজিতে ২০ থেকে ৩০ টাকা বেড়েছে, আবার কোনো কোনো মাছের দাম ১০ থেকে ২০ টাকা কমেছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: বিশেষ করে আমাদের মতো মধ্যবিত্তের মাছ পাঙাশ ও তেলাপিয়া কিনতে ক্রেতাদের কেজিপ্রতি কমপক্ষে ২৩০ টাকা গুনতে হচ্ছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: মাছের দাম বাড়ায় সবচেয়ে বেশি বেকায়দায় পড়েছেন নিম্নবিত্ত ও সীমিত আয়ের মানুষ। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তুলনামূলক কম দামের পাঙাশ ও তেলাপিয়াও এখন সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে।

Facebook Comments Box

আরও খবর

Sponsered content