প্রতিনিধি 3 August 2026 , 3:49:01 প্রিন্ট সংস্করণ

ফিফার শীর্ষ পদ ধরে রাখতে মরিয়া জিয়ান্নি ইনফান্তিনো মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের সহায়তা চেয়েছেন বলে খবর প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের দৈনিক নিউইয়র্ক পোস্ট। বিভিন্ন প্রতিযোগিতার বাণিজ্যিক স্বত্ব বিক্রির পরিকল্পনা ভেস্তে যাওয়ার পর থেকেই ৫৬ বছর বয়সী এই সুইস-ইতালীয় নাগরিকের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ২০২৭ থেকে ২০৩১ মেয়াদে আবারও ফিফা সভাপতি হওয়ার যে উচ্চাকাঙ্ক্ষা তিনি পোষণ করছেন, তা এখন চরম অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।

নিউইয়র্ক পোস্টের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইনফান্তিনো মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সঙ্গে একান্ত আলোচনার জন্য সময় নির্ধারণ করেছিলেন। নির্ভরযোগ্য দুটি সূত্রের বরাতে পত্রিকাটি দাবি করে, যুক্তরাষ্ট্রের পূর্বাঞ্চলীয় সময় অনুযায়ী আজ সকাল ৯টার পরপরই শীর্ষ এই কূটনীতিকের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলার কথা ছিল ফিফাপ্রধানের। তবে এই দাবিকে ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
যুক্তরাষ্ট্রের সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডিলান জনসন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় স্পষ্ট করেছেন যে, রুবিওর সঙ্গে ইনফান্তিনোর কোনো আলোচনার পরিকল্পনা নেই। নিউইয়র্ক পোস্টের সংবাদের সমালোচনা করে জনসন বলেন, প্রতিবেদনের তথ্যের সত্যতা যাচাই করা উচিত ছিল অথবা তাদের কাছে সরাসরি এ বিষয়ে জানতে চাওয়া যেত। বিষয়টিতে ফিফার পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি এবং রয়টার্সের অনুরোধের প্রেক্ষিতে হোয়াইট হাউস থেকেও কোনো সাড়া মেলেনি।
ইনফান্তিনোর বর্তমান সংকট কেবল বাণিজ্যিক ব্যর্থতার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। এর আগে বিভিন্ন বিতর্কিত পরিকল্পনা নিয়ে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন তিনি। ইউরোপীয় ফুটবলের অভিভাবক সংস্থা উয়েফা সরাসরি জানিয়ে দিয়েছে যে, তারা ইনফান্তিনোকে আর ফিফায় দেখতে চায় না। এছাড়া ওয়েলস ফুটবল ফেডারেশনও ঘোষণা দিয়েছে যে, ফিফার পরবর্তী নির্বাচনে তারা ইনফান্তিনোকে সমর্থন দেবে না। সব মিলিয়ে ফিফার অন্দরমহলে নিজের অবস্থান ধরে রাখা এখন তার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বিশ্বকাপসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতার বাণিজ্যিক স্বত্ব বিক্রির পরিকল্পনাটি বাতিল হওয়ার পর এখন সবার নজর ৫৬ বছর বয়সী সুইস-ইতালীয় নাগরিক ইনফান্তিনোর ভবিষ্যতের দিকে।
ডুবন্ত মানুষ খড়কুটো ধরেও বাঁচতে চায়!
খড়কুটো নয়, ‘ডুবন্ত’ জিয়ান্নি ইনফান্তিনো গদি বাঁচাতে নাকি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাহায্য চাইছেন।
সূত্র: প্রথম আলো



















