প্রতিনিধি 7 September 2026 , 9:40:24 প্রিন্ট সংস্করণ

ফ্রান্সের প্যারিসে ভয়াবহ গ্যাস বিস্ফোরণে প্রাণ হারিয়েছে সাড়ে তিন বছর বয়সী শিশু নাহিল। এই মর্মান্তিক ঘটনায় হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলার কাটখাল গ্রামে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নাহিলের বাবা রাসেল আহমদ ২০১০ সালে ফ্রান্সে পাড়ি জমান এবং সেখানে ব্যবসা করেন। ২০১৯ সালে রাজশাহীর লিজা হকের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। তিন মাস আগে নাহিল মা-বাবার সঙ্গে দেশে এসে ২৮ দিন কাটিয়ে গিয়েছিল।

ঘটনার দিন ৫ সেপ্টেম্বর সকালে লিজা হক প্রতিদিনের মতো কাজে যাওয়ার আগে নাহিলকে তার নানির বাসায় রেখে যান। স্থানীয় প্রবাসী ও ফরাসি সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, রাত সাড়ে ৯টার দিকে প্যারিসের উত্তর শহরতলির ওভারভিলিয়ে শহরের একটি দোতলা ভবনে গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ ঘটে। ভবনটি ছিল নাহিলের নানা-নানির বাসার পাশের। বিস্ফোরণে ভবনটির বড় একটি অংশ ধসে পড়লে নাহিল ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে। ফরাসি দমকল বাহিনীর উদ্ধার অভিযানের পর তার নিথর দেহ উদ্ধার করা হয়।
এই দুর্ঘটনায় নাহিলের পরিবারের কয়েকজন সদস্য আহত হয়েছেন
আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নাহিলের দুই খালা ও নানির শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক।
নাহিলের চাচা ও পুকড়া ইউনিয়ন পরিষদের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য ফরিদ মিয়া জানান, তার ভাই রাসেল মুঠোফোনে জানিয়েছেন যে আইনি প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর নাহিলের মরদেহ ফ্রান্সেই দাফন করা হবে। এখনো মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়নি। ফরিদ মিয়া বলেন, ঘটনার পর থেকে তারা নাহিলকে জীবিত উদ্ধারের অপেক্ষায় ছিলেন, কিন্তু শেষ পর্যন্ত এমন দুঃসংবাদ শুনতে হবে তা ভাবেননি। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে দেখা হয়েছে, চাচাতো ভাইবোনদের সঙ্গে খেলেছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: কে জানত, সেটিই হবে আমাদের সঙ্গে তার শেষ দেখা!’। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: কথাগুলো বলতে বলতে কণ্ঠ ভারী হয়ে আসছিল হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলার কাটখাল গ্রামের ফরিদ মিয়ার (৪৫)। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: চোখের সামনে ভেসে উঠছিল সাড়ে তিন বছরের ফুটফুটে ভাতিজা নাহিলের মুখ। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: দীর্ঘদিন ধরে তিনি ফ্রান্সে বসবাস করছেন এবং সেখানে ব্যবসা করেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ২০১৯ সালে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত লিজা হকের (৩০) সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তাঁদের সংসারে জন্ম নেয় একমাত্র সন্তান নাহিল।
সূত্র: প্রথম আলো



















