সারাদেশ

আশুলিয়ায় দম্পতি ও অনাগত সন্তান নিহতের ঘটনায় গ্রেপ্তার ১

  প্রতিনিধি 10 September 2026 , 9:40:57 প্রিন্ট সংস্করণ

ঢাকার সাভারের আশুলিয়ায় একটি তালাবদ্ধ কক্ষ থেকে স্বামী-স্ত্রী ও তাদের অনাগত সন্তানের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় মনিরুজ্জামান ওরফে হৃদয় (৪৪) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। গত মঙ্গলবার আশুলিয়ার নরসিংহপুর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। বুধবার রাজধানীর উত্তরায় পিবিআইয়ের ঢাকা জেলা কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানান ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার এন এম মোর্শেদ।

পুলিশ জানায়, গত শনিবার আশুলিয়ার জামগড়া এলাকার একটি ভবনের দোতলার তালাবদ্ধ কক্ষ থেকে আলমগীর কবির (৪৫) ও তার স্ত্রী নাজমা খাতুনের (৩৯) মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ সময় তাদের মৃত ভ্রূণও উদ্ধার করা হয়। ঘটনার পরদিন নিহত নাজমার বড় বোন শাপলা বেগম বাদী হয়ে আশুলিয়া থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তে নেমে পিবিআই গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে মনিরুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করে এবং তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে নাজমার মুঠোফোন, সিম কার্ড, পার্স ও পরিচয়পত্র উদ্ধার করে।

আদালতে ১৬৪ ধারায় দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে মনিরুজ্জামান জানান, নিহত নাজমার সঙ্গে তার বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক ছিল। বিষয়টি জানার পর নাজমার স্বামী আলমগীরের সঙ্গে মনিরুজ্জামানের বিরোধ তৈরি হয়। ঘটনার দিন নাজমা ও আলমগীর আসামি মনিরুজ্জামানের বাসায় গিয়ে তাকে তাদের বাসায় নিয়ে আসেন। সেখানে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে আলমগীর ও মনিরুজ্জামানের মধ্যে মারামারি শুরু হয়।

পুলিশ সুপার এন এম মোর্শেদ জানান, মারামারির সময় অন্তঃসত্ত্বা নাজমার পেটে লাথি মারা হলে ঘটনাস্থলেই তার গর্ভের সন্তান মারা যায়। এরপর দম্পতিকে হত্যা করে মনিরুজ্জামান পালিয়ে যান। এই ঘটনায় আর কেউ জড়িত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের জেরে ওই যুবক তাঁদের হত্যা করেছেন বলে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

Facebook Comments Box

আরও খবর

Sponsered content