প্রতিনিধি 10 September 2026 , 1:43:48 প্রিন্ট সংস্করণ

প্রবাসী বাংলাদেশিদের বিনিয়োগ, বৈধ পথে রেমিট্যান্স প্রেরণ এবং বিদেশে বাংলাদেশি পণ্য রপ্তানিতে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে সিআইপি (বাণিজ্যিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি) মর্যাদার পরিধি সম্প্রসারণ করা হয়েছে। ‘বাণিজ্যিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি (অনিবাসী বাংলাদেশি) নির্বাচন নীতিমালা, ২০১৮’-এর আওতায় এবার তিনটি ক্যাটাগরিতে মোট ১৩৫ জন অনাবাসী বাংলাদেশিকে সিআইপি হিসেবে নির্বাচনের উদ্যোগ নিয়েছে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়। এর আগে সিআইপির সংখ্যা ৯০ জনে সীমাবদ্ধ থাকলেও, আবেদনের ক্রমবর্ধমান আগ্রহের কারণে এবার তা বাড়িয়ে ১৩৫ জন করা হয়েছে।

সিআইপি নির্বাচনের জন্য আবেদন প্রক্রিয়া ১ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হয়েছে এবং তা আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর রাত ১২টা পর্যন্ত চলবে। আগ্রহী যোগ্য প্রবাসীদের নির্ধারিত ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অনলাইনে আবেদন করতে হবে। কোনো ধরনের হার্ড কপি বা সরাসরি আবেদনপত্র গ্রহণ করা হবে না। অসম্পূর্ণ বা ত্রুটিপূর্ণ আবেদন বাতিল বলে গণ্য হবে এবং কর্তৃপক্ষ যেকোনো সময় কারণ দর্শানো ছাড়াই আবেদন বা সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম স্থগিত বা বাতিল করার অধিকার সংরক্ষণ করে।
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রবাসীদের বৈধ পথে অর্থ পাঠাতে উৎসাহিত করার ক্ষেত্রে এই স্বীকৃতি অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা পালন করছে। গত পাঁচ বছরে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে মোট ৩২৬ জন প্রবাসী বাংলাদেশি সিআইপি মর্যাদা পেয়েছেন। এর মধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে রেমিট্যান্স পাঠানোর ভিত্তিতে ১৪৯ জন এবং পণ্য রপ্তানিকারক হিসেবে ১০ জন প্রবাসী এই সম্মাননা অর্জন করেছেন। ২০২১ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে যথাক্রমে ৩০, ৩৭, ২৬, ১৬ ও ৪০ জন প্রবাসী সিআইপি হয়েছেন।
এই নতুন উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো প্রবাসীদের বিনিয়োগ ও রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধির পাশাপাশি তাদের দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে আরও নিবিড়ভাবে সম্পৃক্ত করা। ১ লাখ ডলারের শর্তে আবেদনের সুযোগ থাকায় প্রতি বছরই সিআইপি হওয়ার জন্য আবেদনের সংখ্যা বাড়ছে, যা দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে বলে মনে করা হচ্ছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এ তালিকায় সবচেয়ে এগিয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতে বসবাসরত বাংলাদেশিরা।
সূত্র: গালফ বাংলা



















