প্রতিনিধি 11 September 2026 , 7:33:29 প্রিন্ট সংস্করণ

গাড়ির লংমার্চের মাধ্যমে গ্যাস ও বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধান করা সম্ভব হলে সরকারই সবার আগে এমন কর্মসূচির আয়োজন করত বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) রাতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে বিরোধী দলের উদ্দেশে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে গ্যাস ও বিদ্যুতের সংকটে সাধারণ মানুষ ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। এই সংকট নিরসনে বিরোধী দলের সহযোগিতা প্রত্যাশা করা হয়েছিল, কিন্তু তার পরিবর্তে তারা গাড়ির লংমার্চের মতো কর্মসূচি পালন করেছে। জনগণের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি করে ভিন্ন কোনো উদ্দেশ্য হাসিলের অপচেষ্টা করা হয়েছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন।
সংসদ সদস্যদের দায়িত্ব সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জনগণ ভোট দিয়ে আমাদের সংসদে পাঠিয়েছেন। তাই সরকারি বা বিরোধী দল—নির্বিশেষে প্রতিটি সদস্যের দায়িত্ব হলো বাস্তব পরিস্থিতি জনগণের সামনে সঠিকভাবে তুলে ধরা। তিনি আরও বলেন, উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া ফ্যাসিবাদী শাসনামলের সমস্যাগুলোকে অজুহাত হিসেবে দাঁড় করাতে চায় না বর্তমান সরকার। বরং সমস্যাগুলো মোকাবিলায় কার্যকর পরিকল্পনা গ্রহণ ও তা বাস্তবায়নের মাধ্যমে জনজীবনে শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার নিরলস কাজ করে যাচ্ছে।
বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০২২ সালে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর বিদ্যুৎ সংকটের অজুহাতে অফিসের সময়সূচি পরিবর্তন, স্কুলের ছুটি বাড়ানো এবং ব্যাংকিং লেনদেনের সময়সীমা কমানো হয়েছিল। তিনি আরও অভিযোগ করেন, বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলার নামে কুইক রেন্টাল বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করে নির্দিষ্ট কিছু ব্যক্তিকে সুবিধা দেওয়া হয়েছে, যা রাষ্ট্রকে ঋণগ্রস্ত ও দেউলিয়া করে ফেলেছে। সরকার এ ধরনের অজুহাত দিয়ে জনগণের সমস্যা এড়িয়ে যেতে চায় না বলে তিনি উল্লেখ করেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমানে গ্যাস ও বিদ্যুতের জন্য সমগ্র দেশের মানুষকে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: গাড়ির লংমার্চ করে যদি গ্যাস বা বিদ্যুতের সমস্যার সমাধান করাই যেত, তাহলে আমরাই সবার আগে লংমার্চের আয়োজন করতাম,’ বলেন তিনি। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: বিগত আওয়ামী সরকারের সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলনে, ‘রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ যখন শুরু হলো সেসময় ২০২২ সালে যুদ্ধের অজুহাতে বিদ্যুৎ সমস্যা সমাধানে তখন অফিসের সময়সূচি পরিবর্তন করা হলো, স্কুলগুলোতে এক দিনের জায়।
সূত্র: আলোকিত বাংলাদেশ



















