প্রতিনিধি 22 September 2026 , 6:58:05 প্রিন্ট সংস্করণ

গাজায় প্রেরিত কাতার সরকারের তহবিল হামাস ও তাদের সামরিক শাখার কাছে পাচার হওয়ার যে অভিযোগ সম্প্রতি দ্য নিউ ইয়র্কারে প্রকাশিত হয়েছে, তা দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে কাতার। ইসরায়েলের জব্দকৃত নথিপত্রের বরাত দিয়ে করা এই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছিল যে, ২০১৯ সালে এক হামাস নেতা কাতারের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে বলেছিলেন, কাতারের অনুদানই তাদের আন্দোলনের প্রধান ধমনী। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ৭ অক্টোবরের হামলায় কাতারের অর্থ কীভাবে ভূমিকা রেখেছে, তা ওই নথিতে স্পষ্ট। এ সময় হামাসের যোদ্ধারা আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত বিশাল সুড়ঙ্গব্যবস্থা ব্যবহার করে ট্যাংকবিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র ও বডি ক্যামেরা নিয়ে বেরিয়ে আসে বলেও উল্লেখ করা হয়।

এই প্রতিবেদনের প্রতিক্রিয়ায় কাতার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, এটি তাদের বিরুদ্ধে একটি বৃহত্তর অপতথ্য প্রচারণার অংশ। দোহা স্পষ্টভাবে অভিযোগ করেছে, এই মিথ্যাচারের পেছনে কট্টর ডানপন্থী ইসরায়েলিদের যোগসাজশ রয়েছে, যারা অঞ্চলে নৈরাজ্য ও বিভেদ সৃষ্টির পায়তারা করছে। কাতার জোর দিয়ে বলেছে, গাজায় পাঠানো তাদের সমস্ত সহায়তা কার্যক্রম বিগত তিন ভিন্ন প্রধানমন্ত্রীর আমলের ধারাবাহিক ইসরায়েলি সরকারগুলোর সাথে সরাসরি সমন্বয় করেই পরিচালিত হয়েছে।
কাতারের ভাষ্যমতে, গাজায় মানবিক সহায়তার অংশ হিসেবে খাদ্য, ওষুধ, জ্বালানি এবং অন্যান্য সামগ্রী প্রবেশের প্রতিটি পর্যায়ে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের কঠোর তদারকি ছিল। ইসরায়েলের অনুমতি ছাড়া কোনো সহায়তাই সেখানে প্রবেশ করতে পারেনি। দোহা আরও স্পষ্ট করেছে, এই সহায়তা প্রক্রিয়ার কোনো পর্যায়েই অনিয়ম বা বিচ্যুতি ঘটে থাকলে, তার পূর্ণ দায়দায়িত্ব ইসরায়েলের ওপর বর্তায়। কারণ পুরো সরবরাহ চেইনটি তাদের নজরদারিতেই ছিল।
সবশেষে কাতার পুনর্ব্যক্ত করেছে যে, তাদের মানবিক সহায়তা কার্যক্রম আন্তর্জাতিক ও ইসরায়েলি অংশীদারদের সাথে স্বচ্ছ প্রক্রিয়া মেনে সম্পন্ন হয়েছে। এই মিথ্যা অপপ্রচারের উদ্দেশ্য হলো অঞ্চলে অস্থিতিশীলতা তৈরি করা, যা কাতার কোনোভাবেই মেনে নেবে না। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ইসরায়েলভিত্তিক সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েল এ খবর জানিয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ওই সুড়ঙ্গগুলোতে ছিল বায়ু চলাচলের ব্যবস্থা, নজরদারি ক্যামেরা ও যোগাযোগ নেটওয়ার্ক। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: প্রক্রিয়ার বিভিন্ন পর্যায়ে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের সম্পৃক্ততা ছাড়া এর কোনোটিই প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়নি।
সূত্র: গালফ বাংলা



















