জাতীয়

২০৩৪ সালের মধ্যে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে সরকার

  প্রতিনিধি 13 September 2026 , 12:47:31 প্রিন্ট সংস্করণ

প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর জানিয়েছেন, ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে উন্নীত করার সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নিয়ে সরকার স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। ঋণনির্ভর ও বিশেষ কোনো গোষ্ঠীর পৃষ্ঠপোষকতানির্ভর অর্থনীতির বৃত্ত ভেঙে উৎপাদন, কর্মসংস্থান ও বিনিয়োগমুখী টেকসই অর্থনৈতিক কাঠামো গড়ে তোলাই বর্তমান সরকারের মূল উদ্দেশ্য।

শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সাভারের বিরুলিয়ায় ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ক্যাম্পাসে সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) আয়োজিত ‘কানেক্টিং নলেজ, পলিসি অ্যান্ড প্র্যাকটিস ফর বেটার গভর্ন্যান্স’ শীর্ষক এক জাতীয় গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন। আয়োজনে শিক্ষক, গবেষক, নীতিনির্ধারক ও বিভিন্ন পেশাজীবী প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে তিতুমীর আরও বলেন, জ্বালানি খাতসহ দেশের প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রে যে স্বজনপ্রীতি ও পৃষ্ঠপোষকতানির্ভর সংস্কৃতি গড়ে উঠেছিল, তা অর্থনীতিতে বৈষম্য ও বেকারত্ব বাড়াতে ভূমিকা রেখেছে। জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে বৈষম্যবিরোধী মানুষের যে আকাঙ্ক্ষা ফুটে উঠেছে, তা বাস্তবায়নে স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক প্রতিষ্ঠান তৈরি করা এখন সময়ের দাবি। শাসকরা পালিয়ে যাওয়ার ঘটনাটি মূলত দেশের ভেঙে পড়া প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোরই বহিঃপ্রকাশ বলে তিনি মন্তব্য করেন।

অর্থনীতিকে টেকসই ভিত্তির ওপর দাঁড় করাতে বিদ্যুৎ খাতের সংকটের সমাধান এবং বিনিয়োগের সুযোগ বাড়ানোর ওপর জোর দেন তিনি। তিতুমীরের মতে, প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বলতে কেবল আইন বা সাংগঠনিক কাঠামো বোঝায় না, এর সঙ্গে রীতি-রেওয়াজ ও মূল্যবোধের সমন্বয় প্রয়োজন। তাই সরকার পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার পাশাপাশি আনুষ্ঠানিক ও অনানুষ্ঠানিক দুই ধরনের প্রতিষ্ঠান নিয়েই গবেষণার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে।

তিনি আরও যোগ করেন, অতীতের ফ্যাসিবাদী শাসনামলের বৈশিষ্ট্যগুলো বিশ্লেষণ করা প্রয়োজন, যাতে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার নিশ্চিত করে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হয়। সবার অংশগ্রহণের সুযোগ তৈরির মাধ্যমে সামাজিকভাবে কার্যকর ফলাফল অর্জনে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। চাকরির আরও তথ্য: তিনি বলেছেন, ঋণনির্ভর ও পৃষ্ঠপোষকতাভিত্তিক অর্থনীতি থেকে বেরিয়ে উৎপাদন, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থাননির্ভর অর্থনীতি গড়ে তুলতে চায় সরকার। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তিতুমীর আরও বলেন, শাসকরা পালিয়ে যেতে বাধ্য হওয়ার ঘটনা প্রমাণ করেছে যে দেশের প্রতিষ্ঠানগুলো ভেঙে পড়েছে। চাকরির আরও তথ্য: একই সঙ্গে স্বজনপ্রীতি, বৈষম্য ও প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতা দূর করে বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ তৈরিতে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: অনুষ্ঠানে শিক্ষক, শিক্ষাবিদ, গবেষক, নীতিনির্ধারক, উন্নয়নকর্মী, সাংবাদিক ও বিভিন্ন পর্যায়ের পেশাজীবীরা অংশ নেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এর ফলে একদিকে বেকারত্ব বেড়েছে, অন্যদিকে বৈষম্যও বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: শাসনব্যবস্থার সঙ্গে মূলত ক্ষমতা, নীতি নির্ধারণ ও নীতি বাস্তবায়নের বিষয়গুলো জড়িত।

Facebook Comments Box

আরও খবর

Sponsered content