প্রতিনিধি 13 September 2026 , 4:54:00 প্রিন্ট সংস্করণ

নাগরিকদের জানমালের নিরাপত্তা বিধানে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) সব সময় নিরলস কাজ করে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) রাজারবাগ পুলিশ অডিটোরিয়ামে আয়োজিত ‘ডিএমপি শিক্ষাবৃত্তি-২০২৫’ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন। কমিশনার বলেন, রোদ-বৃষ্টি কিংবা উৎসবের দিনগুলোতেও দায়িত্বের তাগিদে পুলিশ সদস্যদের কর্মস্থলে থাকতে হয়, ফলে অনেক সময় তারা পরিবারের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে অনুপস্থিত থাকেন। এই আত্মত্যাগের পেছনে পুলিশ সদস্যদের পরিবারের সদস্যদের অবদানও যে অনস্বীকার্য, সেটি তিনি বিশেষভাবে উল্লেখ করেন।

অনুষ্ঠানে ডিএমপি সদস্যদের মেধাবী সন্তানদের ‘ডিএমপি শিক্ষাবৃত্তি-২০২৫’ প্রদান করা হয়। এ বছর মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের ২৪৯ জন এবং উচ্চশিক্ষা সহায়ক বৃত্তির ১৮৮ জনসহ মোট ৪৩৭ জন শিক্ষার্থীকে এই সম্মাননা ও আর্থিক সহযোগিতা দেওয়া হয়। কমিশনার বলেন, এই বৃত্তি কেবল আর্থিক সহায়তা নয়, বরং শিক্ষার্থীদের মেধা, অধ্যবসায় এবং তাদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ সম্ভাবনার আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি। কৃতি সন্তানদের সাফল্যে পুলিশ বাহিনী গর্বিত বলে তিনি জানান।
শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ গড়ার গুরুত্ব দিয়ে মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ বলেন, এই মূল্যায়নকে অনুপ্রেরণা হিসেবে গ্রহণ করে তাদের আরও সামনে এগিয়ে যেতে হবে। নিজেদের কর্মগুণে এমনভাবে প্রতিষ্ঠিত হতে হবে যেন তারা অন্য সবার জন্য পাথেয় হয়ে ওঠে। তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে উল্লেখ করেন, আজকের এই মেধাবী শিক্ষার্থীরাই ভবিষ্যতে বাংলাদেশের নেতৃত্ব দেবে। তারা দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র ছাড়াও উন্নয়ন কর্মকাণ্ড ও মানবসেবায় বিশেষ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে ডিএমপি কমিশনার বৃত্তিপ্রাপ্ত সকল শিক্ষার্থীকে অভিনন্দন জানান এবং তাদের সুন্দর জীবনের শুভকামনা করেন। এসময় অনুষ্ঠানে ডিএমপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থী এবং তাদের অভিভাবকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এই আয়োজনের মাধ্যমে ডিএমপি পরিবারের সদস্যদের মধ্যে এক আত্মিক ও উৎসাহব্যঞ্জক পরিবেশ তৈরি হয়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: অনুষ্ঠানে তিনি ডিএমপি সদস্যদের কৃতি সন্তানদের হাতে ‘ডিএমপি শিক্ষাবৃত্তি-২০২৫’ শিক্ষাবৃত্তির অর্থ তুলে দেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তিনি আরও বলেন, নিজেদের এমনভাবে গড়ে তুলতে হবে, যেন একদিন তারা অন্যদের জন্যও অনুপ্রেরণার উৎস হতে পারে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: সন্তানদের সাফল্য তাদের সেই ত্যাগের অন্যতম বড় প্রেরণা।
সূত্র: আলোকিত বাংলাদেশ



















