প্রতিনিধি 24 August 2026 , 10:32:47 প্রিন্ট সংস্করণ

দেশের বর্তমান ভঙ্গুর অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, অর্থনীতি প্রথমে স্থিতিশীল হবে এবং পরবর্তীতে ধীরে ধীরে কাঙ্ক্ষিত গতি ফিরে পাবে। বাংলাদেশ প্রবৃদ্ধির একটি নতুন পর্যায়ে প্রবেশ করবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন। সোমবার রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে নির্বাচিত গবেষক, উদ্ভাবক ও উদ্যোক্তাদের স্বীকৃতি ও সম্মাননা প্রদানকালে তিনি এসব কথা বলেন।

শিল্প খাতের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং শিল্পভিত্তিক গবেষণাকে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের ‘স্কিলস ফর ইন্ডাস্ট্রি কম্পিটিটিভনেস অ্যান্ড ইনোভেশন প্রোগ্রাম’ এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এটি দেশের প্রথম সরকারি উদ্যোগ, যেখানে গবেষকদের সরাসরি শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে অর্থ বিভাগের সচিব মো. খাইরুজ্জামান মজুমদার বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এবং সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ ওয়ালিদ হোসেন।
অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, সরকার যে ভঙ্গুর অর্থনীতি পেয়েছে, তা পুনরুদ্ধারে নিরলস কাজ চলছে এবং সংকট উত্তরণের পথ তৈরি হচ্ছে। বর্তমানে জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলা করা হচ্ছে। তিনি আরও জানান, অর্থনীতিতে যেসব সংস্কার, নীতিমালার পরিবর্তন ও প্রণোদনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, সেগুলোর সুফল পর্যায়ক্রমে দৃশ্যমান হবে। এছাড়া কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে সারা দেশে দক্ষতা উন্নয়ন কেন্দ্র গড়ে তোলার কার্যক্রমও হাতে নেওয়া হয়েছে।
গবেষণায় সহায়তার বিষয়ে জানানো হয়, বিভিন্ন খাতে উদ্ভাবনী গবেষণার জন্য ১২ জন গবেষককে মোট ২৩ কোটি টাকা অনুদান ও পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি প্রকল্পের জন্য ৭০ লাখ থেকে আড়াই কোটি টাকা পর্যন্ত সহায়তা বরাদ্দ করা হয়েছে। এসব অর্থ শিল্পের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে কাজে লাগানো হবে।
অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ ওয়ালিদ হোসেন স্বাগত বক্তব্যে জানান, শিল্পের উদ্ভাবনী সমাধানের জন্য মোট ১২৩টি প্রস্তাব জমা পড়েছিল, যার মধ্য থেকে ১২টি প্রকল্প বাছাই করা হয়েছে। নির্বাচিত গবেষকরা এক বছর ধরে তাঁদের গবেষণা চালিয়ে সমাধানের পথ দেখাবেন। তিনি আরও জানান, প্রতিটি প্রকল্পের গবেষক আগে থেকেই সংশ্লিষ্ট শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কাজ করেছেন এবং তাঁদের ধারণাপত্রের ভিত্তিতেই প্রকল্পগুলো চূড়ান্ত করা হয়েছে। এক বছর গবেষণার পর এই উদ্ভাবনী সমাধানগুলো শিল্পক্ষেত্রে প্রয়োগ করা হবে। প্রকল্পের তালিকায় ছোট হিমাগার থেকে মাছের খাবার বিতরণের যন্ত্র তৈরি এবং ফেলে দেওয়া সুতা থেকে প্যাকেজিং উপকরণ তৈরির মতো উদ্ভাবনী প্রযুক্তি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তিনি বলেন, সবকিছু মিলিয়ে বাংলাদেশের অর্থনীতি ভালো দিকে যাবে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: মোট ২৩ কোটি টাকার অর্থসহায়তা দেওয়া হয়েছে।
সূত্র: প্রথম আলো



















