প্রতিনিধি 28 August 2026 , 8:31:14 প্রিন্ট সংস্করণ

নেপাল ও তিব্বত সীমান্তে ভূমিধসের ফলে সৃষ্ট একটি ব্যারিয়ার লেক বা হ্রদ ফেটে দ্বিতীয় দফায় ভয়াবহ বন্যার আশঙ্কায় চীন কর্তৃপক্ষ সাময়িকভাবে উদ্ধারকাজ বন্ধ রেখেছিল। তবে হ্রদের পানির স্তর কিছুটা হ্রাস পাওয়ায় তিব্বত অংশে পুনরায় উদ্ধার তৎপরতা স্বাভাবিক হয়েছে বলে জানিয়েছে সিসিটিভি। গত বুধবার আঘাত হানা প্রলয়ংকরী আকস্মিক বন্যার ৪৮ ঘণ্টার বেশি সময় পার হয়েছে। নেপাল পুলিশের তথ্যমতে, এই দুর্যোগে এখন পর্যন্ত ৪৭৫ জনের প্রাণহানি ঘটেছে এবং সাড়ে ৫০০-র বেশি মানুষ এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। এছাড়া তিব্বতের অংশে তিনজনের মৃত্যুর তথ্য পাওয়া গেছে।

চীনা রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, গিরোং বন্দর থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই হ্রদটিতে দুই মিলিয়নেরও বেশি ঘনমিটার পানি জমা রয়েছে। হ্রদটি পরিপূর্ণ হয়ে পানি উপচে পড়ার ঘটনা ঘটায় পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও ঝুঁকি মূল্যায়নের জন্য এর চারপাশে সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হয়েছে।
এদিকে নতুন করে বন্যার সতর্কবার্তার প্রেক্ষিতে নেপাল পুলিশ স্থানীয় বাসিন্দা ও উদ্ধারকর্মীদের নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। ত্রিশুলী নদী অববাহিকায় জরুরি কর্মীদের সহায়তায় সাধারণ মানুষকে উঁচু স্থানে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে সেনাবাহিনী ও উদ্ধারকারী হেলিকপ্টার ব্যবহার করে নিয়মিত উদ্ধারকাজ পরিচালনা করা হচ্ছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এর মধ্যে নেপাল পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৭৫ জনে।
সূত্র: মানবজমিন



















