প্রতিনিধি 18 September 2026 , 11:49:41 প্রিন্ট সংস্করণ

পাবনার ঈশ্বরদীতে নির্মাণাধীন রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ দ্রুত জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের ক্ষেত্রে কারিগরি ও প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা চেয়েছে বাংলাদেশ। অস্ট্রিয়ার ভিয়েনায় গত বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) সদর দপ্তরে সংস্থাটির মহাপরিচালক রাফায়েল মারিয়ানো গ্রোসির সঙ্গে এক দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে এই সহযোগিতা চাওয়া হয়। বাংলাদেশের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনামের নেতৃত্বাধীন একটি প্রতিনিধিদল এই বৈঠকে অংশ নেয়। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়েছে।

বৈঠকে পারমাণবিক প্রযুক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহার, পারমাণবিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্ব জোরদার করার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রকে বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তার পথে একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক হিসেবে অভিহিত করে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেন, প্রকল্পের প্রথম ইউনিটে ফুয়েল লোডিংয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ কার্বনমুক্ত বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য পূরণে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে। তিনি আরও বলেন, এই কেন্দ্রটি দেশের বর্ধিত বিদ্যুৎ চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি জ্বালানি নিরাপত্তার নিশ্চয়তা ও জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।
পারমাণবিক নিরাপত্তা এবং দায়িত্বশীল ব্যবস্থাপনার সর্বোচ্চ আন্তর্জাতিক মানদণ্ড বজায় রাখতে বাংলাদেশ দৃঢ়প্রতিজ্ঞ বলে জানান মন্ত্রী। তিনি উল্লেখ করেন যে, পারমাণবিক বর্জ্য ও স্পেন্ট ফুয়েল ব্যবস্থাপনা-সংক্রান্ত যৌথ কনভেনশনে দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম দেশ হিসেবে বাংলাদেশের অংশগ্রহণই প্রমাণ করে যে, দেশটি অত্যন্ত নিরাপদ ও দায়িত্বশীলভাবে পারমাণবিক কর্মসূচি পরিচালনা করছে। আইএইএর কারিগরি সহায়তা এবং মানবসম্পদ উন্নয়নের মাধ্যমে বাংলাদেশের পরমাণু সক্ষমতা আরও শক্তিশালী হবে বলেও বৈঠকে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।
ক্যানসার চিকিৎসায় আইএইএর ‘রেজ অব হোপ: ক্যানসার কেয়ার ফর অল’ উদ্যোগের প্রশংসা করে সংস্থাটির মহাপরিচালক ও সচিবালয়ের নেতৃত্বের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন মন্ত্রী। বাংলাদেশ ২০২৫ সালে এই উদ্যোগে যুক্ত হয়েছে। এ বিষয়ে তিনি জানান, সরকারি পর্যায়ে এই অংশীদারিত্বকে আরও কার্যকর করতে কাজ চলছে। এর অন্যতম লক্ষ্য হলো একটি সমন্বিত ওয়ান-স্টপ ক্যানসার কেয়ার সেন্টার প্রতিষ্ঠা করা, যেখানে রোগীদের জন্য সহজলভ্য ও আধুনিক চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। টেকসই চিকিৎসাব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং জ্ঞান বিনিময়ের ক্ষেত্রে আইএইএর নিরন্তর সহযোগিতা বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রকে বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তার ক্ষেত্রে একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক হিসেবে উল্লেখ করে ফকির মাহবুব আনাম বলেন, ইউনিট-১-এ ফুয়েল লোডিংয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ কার্বনমুক্ত বিদ্যুৎ উৎপাদনের পথে গুরুত্বপ।
সূত্র: আলোকিত বাংলাদেশ



















