সারাদেশ

বাজার থেকে অবিলম্বে ১০ পণ্য প্রত্যাহারের নির্দেশ বিএসটিআইয়ের

  প্রতিনিধি 27 August 2026 , 6:45:22 প্রিন্ট সংস্করণ

ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় নিম্নমানের প্রমাণিত হওয়ায় বম্বে সুইটসের পাঁচ ধরনের মসলা এবং বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ঘি ও বাটার অয়েলসহ মোট ১০টি পণ্য বাজার থেকে অবিলম্বে প্রত্যাহারের নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই)। বুধবার (২৬ আগস্ট) বিএসটিআইয়ের পক্ষ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। একইসঙ্গে, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর লাইসেন্স কেন বাতিল করা হবে না, তা জানতে চেয়ে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। বিএসটিআই ভোক্তাদের এসব পণ্য কেনা থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়েছে।

পরীক্ষায় অকৃতকার্য পণ্যের তালিকা ও কারণ

বিএসটিআইয়ের নিয়মিত বাজার নজরদারি ও সার্ভিল্যান্সের অংশ হিসেবে সংগৃহীত পণ্যের নমুনা তাদের নিজস্ব আন্তর্জাতিক মানের ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষায় দেখা যায়, বম্বে সুইটস এন্ড কোং লিমিটেডের উৎপাদিত কারী পাউডার হাঁসের মাংসের মসলা (ব্যাচ নং- ১৪১২২৪), তেহারি মসলা (ব্যাচ নং- ১৪০২২৬), কালা ভুনা মসলা (ব্যাচ নং- ২৬০৯২৭), গরুর মাংসের মসলা (ব্যাচ-এ) এবং মাছের মসলা (ব্যাচ নং-এ) বাংলাদেশ মান (বিডিএস) অনুযায়ী মোট এ্যাস এবং লবণের মাত্রা অতিরিক্ত থাকায় অকৃতকার্য হয়েছে। এছাড়া ঘি ও বাটার অয়েল প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে

  • বাঘাবাড়ি প্রিমিয়াম ঘি কোম্পানির ‘বাঘাবাড়ি’ ব্র্যান্ডের ঘি।
  • কিশোরগঞ্জ ফুড প্রোডাক্টস ‘অরুন বাঘাবাড়ী’ ব্র্যান্ডের ঘি।
  • মেসার্স মামুন ফুড প্রোডাক্ট ‘নিউ রাঁধুনী’ ব্র্যান্ডের ঘি।
  • মেসার্স মামুন ফুড প্রোডাক্টের ‘সিটি’ ব্র্যান্ডের ঘি।
  • এলডার্স ফুড প্রোডাক্টস এন্ড প্যাকেজিং ইন্ডাস্ট্রিজ ‘এলডার্স’ ব্র্যান্ডের বাটার অয়েল।

ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় দেখা যায়, বাঘাবাড়ির ‘ঘি’তে প্রকৃত মিল্ক ফ্যাট নেই; বরং পাম অলিন ও বনস্পতি ব্যবহার করে তা ‘ঘি’ নামে বাজারজাত করা হচ্ছে। এছাড়া উল্লিখিত ঘি ও বাটার অয়েলগুলো রিফ্র্যাক্টিভ ইনডেক্স, আয়োডিন ভ্যালু, স্যাপোনিফিকেশন ভ্যালু এবং পলেন্সকে ভ্যালু পরীক্ষায় নির্ধারিত সীমার বাইরে থাকায় মানোত্তীর্ণ হতে ব্যর্থ হয়েছে। বিএসটিআই মহাপরিচালক (সচিব) কাজী ইমদাদুল হক এ বিষয়ে বলেন, জাতীয় মান অনুসারে পণ্যের গুণগত মান বজায় রাখা প্রতিটি লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের আইনগত এবং নৈতিক দায়িত্ব। কোনো প্রতিষ্ঠান এ দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে বিএসটিআই প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নিতে বদ্ধপরিকর। বিএসটিআই পণ্যের মান সনদ প্রদানের পাশাপাশি নকল ও ভেজাল রুখতে সার্ভিল্যান্সের মাধ্যমে কঠোর নজরদারি চলমান রেখেছে।

Facebook Comments Box

আরও খবর

Sponsered content