প্রতিনিধি 11 August 2026 , 3:49:25 প্রিন্ট সংস্করণ

ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) সম্প্রতি তাদের অ্যারোস্পেস ফোর্সের অভিযানে ভূপাতিত মার্কিন ও ইসরায়েলি সামরিক বিমানের ধ্বংসাবশেষ জনসম্মুখে প্রদর্শন করেছে। এই প্রদর্শনীতে বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে একটি মার্কিন এফ-১৫ যুদ্ধবিমানের অংশবিশেষ, যা প্রথমবারের মতো সাধারণ মানুষের দেখার জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে। ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি-এর প্রকাশিত টিজারে দেখা গেছে, প্রদর্শিত ধ্বংসাবশেষের মধ্যে এফ-১৫ বিমানের পাইলটের ইজেকশন সিট, ককপিটের ক্যানোপির অংশ এবং বিমানের লেজের একটি বড় অংশ রয়েছে। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিভিন্ন ড্রোন এবং ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষও সেখানে রাখা হয়েছে।

আইআরজিসির মুখপাত্র জেনারেল হোসেইন মোহেবি জানিয়েছেন, যুদ্ধের ১২ দিন পর তাদের অ্যারোস্পেস ফোর্সকে নিজস্ব বিমান প্রতিরক্ষা সক্ষমতা অর্জনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। তার দাবি অনুযায়ী, অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে প্রকল্পটি সম্পন্ন করে একটি নতুন দেশীয় বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তৈরি করা হয়। এই নতুন প্রযুক্তি সংঘাতের সময় সফলভাবে একটি এফ-৩৫ যুদ্ধবিমানকেও প্রতিহত করতে সক্ষম হয়েছিল বলে তিনি দাবি করেন।
তাসনিম নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, আইআরজিসি অঞ্চলে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার সময় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সরঞ্জামের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির দাবি করেছে। তাদের দাবি, এই অভিযানে বিভিন্ন ধরনের রাডার ব্যবস্থা, বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, এয়ারবোর্ন আর্লি ওয়ার্নিং অ্যান্ড কন্ট্রোল (এডব্লিউএসিএস) বিমান এবং আকাশে জ্বালানি সরবরাহকারী বিমান ধ্বংস হয়েছে।
এছাড়া চালকবিহীন ও চালকসহ যুদ্ধবিমান এবং বিমান রাখার সুরক্ষিত স্থাপনাগুলোও তাদের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে আইআরজিসি উল্লেখ করেছে। এই প্রদর্শনীটি মূলত ইরানের সামরিক সক্ষমতা এবং সাম্প্রতিক সংঘাতের সময় তাদের প্রতিরক্ষা সাফল্যের প্রমাণ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।
এসব ধ্বংসাবশেষের মধ্যে ইরানের বিরুদ্ধে চলা যুদ্ধে আইআরজিসির অ্যারোস্পেস ফোর্সের গুলিতে ভূপাতিত একটি মার্কিন এফ-১৫ যুদ্ধবিমানের অংশবিশেষও রয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এফ-১৫ যুদ্ধবিমানের ধ্বংসাবশেষ এবারই প্রথমবারের মতো জনসম্মুখে প্রদর্শন করা হচ্ছে।
সূত্র: গালফ বাংলা


















