প্রতিনিধি 23 August 2026 , 1:49:39 প্রিন্ট সংস্করণ

দীর্ঘ সাত বছরের বিরতি কাটিয়ে বড় পর্দায় ফিরছেন নির্মাতা তানিম রহমান অংশু। তাঁর নতুন সিনেমার নাম ‘লিম্বো’। এটি বাংলাদেশের প্রথম স্পেস ড্রামা ও কসমিক রোমান্সধর্মী চলচ্চিত্র হতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন নির্মাতা। ২০১৯ সালে মুক্তি পাওয়া ‘ন ডরাই’-এর পর এটিই তাঁর পরবর্তী কাজ। বছরের শেষ দিকে সিনেমাটির শুটিং শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে এবং বর্তমানে চিত্রনাট্য তৈরির কাজ চলছে।

এই সিনেমার চিত্রনাট্যকার হিসেবে যুক্ত হয়েছেন বলিউডের আলোচিত সিনেমা ‘লাপাতা লেডিস’-এর গল্পকার বিপ্লব গোস্বামী। প্রায় এক বছর আগে বিপ্লবের সঙ্গে পরিচয় হয় অংশুর। একাধিক আলোচনার পর তাঁরা একসঙ্গে কাজ করার সিদ্ধান্ত নেন। অংশু জানান, সাধারণ গল্পকে অসাধারণভাবে উপস্থাপনের যে দক্ষতা বিপ্লব ‘লাপাতা লেডিস’-এ দেখিয়েছেন, তা ‘লিম্বো’র ক্ষেত্রেও কার্যকর হবে। তাঁর মতে, গল্পটি সহজবোধ্য হলেও এর উপস্থাপন হবে অত্যন্ত চমৎকার।
প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের কোনো সিনেমায় চিত্রনাট্য লিখছেন বিপ্লব গোস্বামী। তিনি জানান, নির্মাতা হিসেবে তানিম রহমান অংশুর দৃষ্টিভঙ্গি এবং তাঁর চ্যালেঞ্জ নেওয়ার মানসিকতা তাঁকে মুগ্ধ করেছে। বাংলাদেশ থেকে সায়েন্স ফিকশন তৈরির এই সাহসী উদ্যোগকে তিনি সাধুবাদ জানিয়েছেন। বিপ্লব বলেন, ‘লাপাতা লেডিস’ দিয়ে বাংলাদেশের দর্শকদের কাছ থেকে যে ভালোবাসা তিনি পেয়েছেন, তা তাঁর জন্য আবেগপূর্ণ। তাই এমন একটি প্রজেক্ট দিয়ে বাংলাদেশের সিনেমায় কাজ শুরু করতে পেরে তিনি আনন্দিত।
দীর্ঘ বিরতি প্রসঙ্গে অংশু জানান, গত ছয়-সাত বছরে বেশ কিছু সিনেমার পরিকল্পনা থাকলেও তিনি এমন কিছু খুঁজছিলেন যা চ্যালেঞ্জিং হবে। নতুন জনরায় কাজ করার আগ্রহ থেকেই তিনি ‘লিম্বো’ বেছে নিয়েছেন। বাংলাদেশে এই ধরনের সিনেমা নির্মাণ অসম্ভব মনে হলেও একজন নির্মাতা হিসেবে তিনি সেই চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করেছেন। বর্তমানে সিনেমাটির শিল্পী নির্বাচনের কাজ চলছে। এই সিনেমার মাধ্যমে অভিনেতা তাসকিন রহমানেরও দীর্ঘ বিরতির পর অভিনয়ে ফেরার কথা রয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: গতকাল শনিবার দুপুরে প্রথম আলোর সঙ্গে আলাপে তিনি বলেন, ‘আমরা কাজটা ঠিকমতো করতে চাই, বাকিটা মানুষ পর্দায় দেখে জানাক। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: পরে একসঙ্গে কাজের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এমন একটি সুযোগ তৈরি করে দেওয়ার জন্য পরিচালকের প্রতি কৃতজ্ঞ। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: অংশু ভাইয়ের অ্যাপ্রোচ যেমনটা ভালো লেগেছে, তেমনি মানুষ এবং নির্মাতা হিসেবেও তাঁকে ভালো লেগেছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: সিনেমাটা নিয়ে তাঁর যে ভাবনা, এটা সত্যিই প্রশংসনীয়—বাংলাদেশ থেকে এ রকম একটা সায়েন্স ফিকশন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: আমার তো বাংলাদেশে আসা–যাওয়া আছে—‘লাপাতা লেডিস’ দিয়ে সেই দেশের মানুষের এত এত ভালোবাসা পেয়েছি, এটা আমার জন্য ভীষণ ইমোশনাল একটা ব্যাপার।
সূত্র: প্রথম আলো



















