প্রতিনিধি 29 August 2026 , 1:25:13 প্রিন্ট সংস্করণ

নারায়ণগঞ্জের সিটি নগর পার্কে (সাবেক শেখ রাসেল নহর পার্ক) খেলনা বন্দুক হাতে ঘুরে বেড়ানোর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর দুই তরুণকে আটক করেছে পুলিশ। শুক্রবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে বন্দর উপজেলার বন্দর বাজার এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়। আটকের সময় তাদের কাছ থেকে দুটি খেলনা বন্দুকও জব্দ করেছে আইনশৃঙ্ক্ষলা রক্ষাকারী বাহিনী।

আটককৃতরা হলেন ২২ বছর বয়সী লিমন তোহা ও ২৩ বছর বয়সী ইয়াসিন মোল্লা। তাদের বাড়ি বন্দর বাজার এলাকায়। লিমন তোহা ওই এলাকার মো. শাহীন আহমেদের ছেলে এবং ইয়াসিন মোল্লার বাবার নাম স্বপন মোল্লা। ভিডিওটি ধারণ করা হয়েছিল নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার আওতাধীন এলাকায়।
নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও অপারেশন) তারেক আল মেহেদী জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যাওয়া বন্দুক দুটি আসলে খেলনা। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক তরুণরা জানিয়েছে, টিকটকের ভিডিও তৈরির উদ্দেশ্যেই তারা খেলনা বন্দুকগুলো ব্যবহার করেছিল। বর্তমানে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে এবং বিষয়টি যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।
তারেক আল মেহেদী আরও জানান, লিমন ২০২৪ সালে এইচএসসি পাস করার পর আর পড়াশোনা করেননি এবং গত সাত বছর ধরে টিকটক ভিডিও তৈরি করছেন। অন্যদিকে, ইয়াসিন ২০২২ সালে এসএসসি পাস করেন এবং দুই বছর ধরে টিকটকের সঙ্গে যুক্ত আছেন।
সম্প্রতি ফেসবুকে ৩৫ সেকেন্ডের একটি ভিডিও ভাইরাল হয়। ভিডিওতে কালো কুর্তা-পায়জামা ও টুপি পরিহিত দুই তরুণকে পার্কের বিভিন্ন স্থানে বন্দুক হাতে ঘুরে বেড়াতে দেখা যায়। তারা পথচারী, রিকশাচালক ও শিশুদের দিকে বন্দুক তাক করে ভীতি ছড়াচ্ছিল। ‘ভাইবোন’ নামের একটি টিকটক অ্যাকাউন্ট থেকে ভিডিওটি প্রথম প্রকাশ পায়, যা পরবর্তীতে লিমনের ইনস্টাগ্রাম ও ফেসবুক অ্যাকাউন্টেও ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওটি নিয়ে জনমনে উদ্বেগ তৈরি হলে নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাজেদুর রহমান জানিয়েছিলেন, বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ইয়াসিন ২০২২ সালে এসএসসি পাশ করে আর লেখাপড়া করেননি। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তাঁদের বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ভিডিওটি প্রকাশের পর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: বিষয়টি খোঁজ নিয়ে সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সূত্র: প্রথম আলো



















