আন্তর্জাতিক

১ সেপ্টেম্বর থেকে কুয়েতে ভিজিট ভিসা ও ছুটির স্বয়ংক্রিয় নবায়ন সুবিধা বন্ধ

  প্রতিনিধি 22 August 2026 , 4:17:24 প্রিন্ট সংস্করণ

কুয়েতে অবস্থানরত ভিজিট ভিসাধারী এবং বিদেশে অবস্থানরত প্রবাসীদের জন্য এতদিন যে স্বয়ংক্রিয় ভিসা ও ছুটির মেয়াদ বৃদ্ধির বিশেষ সুবিধা চালু ছিল, তা আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে বন্ধ হতে যাচ্ছে। এর ফলে কুয়েতের আবাসন আইন এখন থেকে আগের মতো স্বাভাবিক নিয়মে কার্যকর হবে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এখন থেকে ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পর তা আর স্বয়ংক্রিয়ভাবে বর্ধিত হবে না। একইভাবে কুয়েতের বাইরে থাকা প্রবাসীদের ছুটির অনুমতিপত্রের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সময়ের সুবিধা আর বহাল থাকছে না।

চলতি বছরের শুরুতে আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে আন্তর্জাতিক যাতায়াত ও বিমান চলাচলে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছিল। সেই সময়ে অনেক যাত্রী নির্ধারিত সময়ে কুয়েত ত্যাগ করতে পারেননি কিংবা প্রবাসীরা সময়মতো ফিরতে পারেননি। এই সংকটকালীন পরিস্থিতিতে অনিচ্ছাকৃত আইন লঙ্ঘন এড়াতে সরকার সাময়িকভাবে স্বয়ংক্রিয় মেয়াদ বৃদ্ধির প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছিল। তবে এটি কোনো স্থায়ী আইন ছিল না, বরং বিশেষ পরিস্থিতি মোকাবিলায় একটি অস্থায়ী পদক্ষেপ ছিল। ১ সেপ্টেম্বর থেকে এই বিশেষ ব্যবস্থা পুরোপুরি শেষ হয়ে যাবে।

এখন থেকে ভিসাধারীদের তাদের ভিসায় উল্লেখিত বৈধতার শেষ তারিখ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। কুয়েতের বাইরে থাকা প্রবাসীদের জন্য বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ তাদের ছুটির অনুমতিপত্রের নির্ধারিত মেয়াদই এখন থেকে কার্যকর থাকবে। অতিরিক্ত সময় নিয়ে কুয়েতে ফেরার কোনো সুযোগ আর থাকছে না। তাই প্রবাসীদের নিজেদের ছুটির অনুমতিপত্রের বৈধতা আগেভাগেই যাচাই করে নিতে হবে। এক্ষেত্রে সাহেল অ্যাপের মাধ্যমে প্রাপ্ত আবাসন অনুমতিপত্রের অবস্থাসংক্রান্ত সনদকে সরকারি রেফারেন্স হিসেবে গণ্য করা হবে।

পুরোনো কাগজপত্র, আগের কোনো বার্তা বা নিয়োগকর্তার মৌখিক তথ্যের ওপর নির্ভর না করে সাহেল অ্যাপের মাধ্যমে বর্তমান বৈধতা যাচাই করার জন্য কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ছুটির অনুমতিপত্রের মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও কুয়েতে ফিরে না এলে আবাসনের ক্ষেত্রে জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে। একইভাবে নির্ধারিত মেয়াদের পর ভিজিট ভিসায় অবস্থান করলে তা আইন লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য হবে। এমন পরিস্থিতিতে প্রচলিত আবাসন আইন অনুযায়ী জরিমানা বা আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। তবে ১ সেপ্টেম্বর থেকে নতুন কোনো নির্দিষ্ট জরিমানার হার চালু হচ্ছে এমন কোনো ঘোষণা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দেয়নি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত জরিমানার অংককে সরকারি তথ্য হিসেবে গ্রহণ না করার জন্য পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ব্যক্তির ভিসা বা আবাসনের ধরন এবং কী ধরনের নিয়ম লঙ্ঘন হয়েছে, তার ওপর ভিত্তি করেই আইনগত ব্যবস্থা নির্ধারিত হবে।

Facebook Comments Box

আরও খবর

Sponsered content