প্রতিনিধি 24 August 2026 , 11:03:02 প্রিন্ট সংস্করণ

রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়ায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী ও তার পরিবারের চার সদস্যের মৃত্যুর ঘটনায় পুলিশের দেওয়া তথ্যের সঙ্গে ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনের কিছু অংশে অমিল পাওয়া গেছে। সোমবার ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক ডা. বাবলু কিশোর বিশ্বাস সাংবাদিকদের জানান, ভিকটিমদের শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। তবে পুলিশের দাবি অনুযায়ী, একজনের চোয়াল ভেঙে যাওয়ার কোনো প্রমাণ ময়নাতদন্তে মেলেনি। এছাড়া এসিড ব্যবহারের যে গুজব ছড়িয়েছে, তারও কোনো ভিত্তি পাওয়া যায়নি। চিকিৎসকের ভাষ্যমতে, দীর্ঘ সময় লাশ পড়ে থাকার কারণে চেহারা কিছুটা বিকৃত হয়ে থাকতে পারে। ঘটনার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে সংগ্রহ করা নমুনা সিআইডি ল্যাবে পাঠানো হচ্ছে। এর আগে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আব্দুল মাবুদ দাবি করেছিলেন, আগামী চক্রবর্তীর মুখ ও গলায় রশি পেঁচিয়ে টানার ফলে তার চোয়াল ভেঙে গিয়েছিল।

ঘটনার সূত্রপাত হয় শনিবার সন্ধ্যায়, যখন স্বজনরা বাড়ির ভেতর কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে পুলিশকে খবর দেন। রাত সাড়ে ১০টার দিকে পুলিশ তালা ভেঙে বাড়ির ভেতরে প্রবেশ করে চারজনের মরদেহ উদ্ধার করে। নিহতদের পরিচয় ও অবস্থান নিচে দেওয়া হলো
গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে মুগ্ধ দাস সিটি বাজারের একটি মাছের দোকানের কর্মচারী এবং সিদ্ধার্থ দাস একটি স্বর্ণের দোকানে কারিগর হিসেবে কাজ করত। মাদক সেবনে বাধা দেওয়ার জেরে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। এই ঘটনায় পুরো রংপুরসহ দেশজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ‘মাদকসেবনে বাধা দেয়ায়’ রংপুরে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী ও স্ত্রী-সন্তানসহ চারজনকে হত্যার ঘটনায় পুলিশের বক্তব্য ও ময়নাতদন্তের রিপোর্টের কিছু অংশ মিলছে না।
সূত্র: মানবজমিন



















