প্রতিনিধি 17 September 2026 , 2:48:40 প্রিন্ট সংস্করণ

পবিত্র নগরী মক্কার আকাশসীমা অতিক্রম করার পূর্বেই হুথি বিদ্রোহীদের পাঠানো একটি ড্রোন প্রতিহত করেছে সৌদি আরবের আকাশ প্রতিরক্ষা বাহিনী। মঙ্গলবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা ৫০ মিনিটে মক্কার দক্ষিণ প্রান্তের আকাশে ড্রোনটিকে ভূপাতিত করা হয়। ইসলাম ধর্মের সবচেয়ে পবিত্র স্থান এবং হজের কেন্দ্রীয় কেন্দ্র হিসেবে মক্কাকে লক্ষ্য করে চালানো এই হামলাকে বড় ধরনের উসকানি হিসেবে দেখছে সৌদি নেতৃত্বাধীন আরব জোট।

ইয়েমেনের বৈধ সরকার পুনঃপ্রতিষ্ঠায় নিয়োজিত জোটের মুখপাত্র মেজর জেনারেল তুর্কি আল-মালকি বুধবার ভোরে এক বিবৃতিতে এই ঘটনাকে ‘রেড লাইন’ বা সীমা লঙ্ঘন হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি কড়া ভাষায় বলেন, ওহি নাজিলের পবিত্র ভূমি ও লাখ লাখ মুসলমানের আবেগের এই স্থানকে লক্ষ্যবস্তু করার চেষ্টা অত্যন্ত লজ্জাজনক। তিনি স্পষ্টভাবে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে জানান, প্রয়োজনীয় ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের ক্ষেত্রে কোনো দ্বিধা করবে না আরব জোট।
মক্কার দিকে হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনা এটিই প্রথম নয়। আরব জোটের রেকর্ড অনুযায়ী, ২০১৭ সালেও মক্কার উদ্দেশ্যে ছোড়া একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তায়েফ প্রদেশের আল-ওয়াসলিয়া এলাকার আকাশে ধ্বংস করা হয়েছিল। সে সময় ওই হামলায় কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
চলমান এই পরিস্থিতির মধ্যেই সৌদি আরবের বিভিন্ন বেসামরিক এলাকায় হামলা বাড়িয়েছে হুথি বিদ্রোহীরা। সোমবার খামিস মুশাইত, আবহা ও তায়েফ অঞ্চলে চালানো ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ১৩ জন সাধারণ মানুষ আহত হয়েছেন। এর আগের সপ্তাহেও দেশটির বিভিন্ন শহরে নারী ও শিশুসহ অন্তত ৭০ জনের বেশি মানুষ হুথিদের হামলায় আহত হয়েছেন বলে তথ্য পাওয়া গেছে।
উল্লেখ্য যে, এর আগে শুক্রবার রিয়াদ ও মদিনা অঞ্চলে ড্রোন হামলায় সৌদি আরবের ইস্ট-ওয়েস্ট তেল পাইপলাইন ক্ষতিগ্রস্ত হলে সেটি সাময়িকভাবে বন্ধ করে দিতে হয়েছিল। তেল পাইপলাইনে ওই হামলার ঘটনার নিন্দা জানিয়ে বিভিন্ন উপসাগরীয় ও মুসলিম সংস্থা সৌদি আরবের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করেছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: প্রতিবছর বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে লাখ লাখ মুসলমান হজ ও ওমরাহ পালনে সেখানে যান। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ফলে ইরান-সমর্থিত হুথি গোষ্ঠীর এ হামলা বিশ্বজুড়ে মুসলমানদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি করতে পারে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ওই ঘটনায় কেউ হতাহত হননি এবং কোনো ক্ষয়ক্ষতিও হয়নি।
সূত্র: গালফ বাংলা



















