প্রতিনিধি 12 August 2026 , 1:05:15 প্রিন্ট সংস্করণ

বাংলাদেশ পুলিশের শীর্ষ পর্যায়ে বড় ধরনের প্রশাসনিক রদবদল করা হয়েছে। বুধবার (১২ আগস্ট) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পুলিশ-১ শাখা থেকে জারি করা চারটি পৃথক প্রজ্ঞাপনে বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারের ২৩ জন কর্মকর্তাকে বদলি ও নতুন কর্মস্থলে পদায়ন করা হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের উপসচিব তৌছিফ আহমেদের সই করা এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। জনস্বার্থে এবং পুলিশ প্রশাসনের কার্যক্রমে গতিশীলতা আনতেই এই রদবদল করা হয়েছে বলে মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে।

রদবদলের তালিকায় থাকা কর্মকর্তাদের মধ্যে র্যাবের অতিরিক্ত ডিআইজি মো. ছালেহ উদ্দিনকে হাইওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। একই প্রজ্ঞাপনে হাইওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি মীর মোদ্দাছের হোসেনকে রাজশাহীর সারদা বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমিতে (বিপিএ) বদলি করা হয়েছে। এছাড়া বিশেষ শাখার (এসবি) সুপারনিউমারারি অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ শাহিনুর আলম খানকে এসবির পুলিশ সুপার পদে এবং মোহাম্মদ এহসান সাত্তারকে খুলনা পিটিসির সুপারনিউমারারি অতিরিক্ত ডিআইজি পদে পদায়ন করা হয়েছে।
জেলা পর্যায়ে পুলিশ সুপার (এসপি) পদেও বড় পরিবর্তন এসেছে। কুষ্টিয়ার এসপি মোহাম্মদ জসীম উদ্দিনকে গাজীপুরের এসপি হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। সিলেট রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ের এসপি মো. আমিনুল ইসলামকে কুষ্টিয়ার এসপি এবং পুলিশ স্টাফ কলেজের এসপি সরকার ওমর ফারুককে খুলনার এসপি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। খুলনার বর্তমান এসপি মোহাম্মদ তাজুল ইসলামকে এপিবিএনে বদলি করা হয়েছে।
হাইওয়ে পুলিশের এসপি পদে নতুন করে পদায়ন করা হয়েছে চার কর্মকর্তাকে। তারা হলেন গাজীপুরের এসপি মো. শরিফ উদ্দিন, নারায়ণগঞ্জের এসপি মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সী, পিবিআইয়ের এসপি মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান এবং এপিবিএনের এসপি দীপক জ্যোতি খীসা।
অন্যান্য পদে বদলি হওয়া কর্মকর্তাদের মধ্যে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. জাহাঙ্গীর আলমকে নোয়াখালী পিটিসিতে এবং এসবির বিশেষ পুলিশ সুপার জেরিন আখতারকে টাঙ্গাইল পিটিসিতে বদলি করা হয়েছে। এছাড়া মেট্রোরেলের (এমআরটি) পুলিশ সুপার ডা. কানিজ হোসেন জাহানকে এপিবিএনে এবং হাইওয়ে পুলিশের এসপি মো. রেজাউল করিমকে এপিবিএনের এসপি হিসেবে নতুন দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
পুলিশের কমিশনার, রেঞ্জ ডিআইজি, জেলা এসপি ও উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) পর্যায়ের এই রদবদল প্রশাসনিক কাজের অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই পরিবর্তনের মাধ্যমে মাঠ পর্যায়ে পুলিশি সেবার মান আরও উন্নত ও গতিশীল হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
সূত্র: যুগান্তর



















