প্রতিনিধি 17 September 2026 , 6:59:25 প্রিন্ট সংস্করণ

রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মিথ্যা মামলার বিরুদ্ধে সরকার গত ছয় মাস ধরে শূন্য সহনশীলতা নীতি মেনে চলছে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ তথ্য জানান। মন্ত্রী বলেন, দেশে একটি কার্যকর মানবাধিকার কমিশন রয়েছে এবং নির্বাচন কমিশনের কাঠামোতে প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধীদলীয় নেতাদের অন্তর্ভুক্ত রাখার বিষয়টি সাংবিধানিক শাসনেরই বহিঃপ্রকাশ।

অনুষ্ঠানে আইনমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, ১৭৮৭ সালে প্রণীত মার্কিন সংবিধানের গণতান্ত্রিক অবকাঠামোর সাথে ১৯৭২ সালের বাংলাদেশের সংবিধানের বেশ মিল রয়েছে। মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট যে ‘বিচার বিভাগীয় পর্যালোচনা’ পদ্ধতি ব্যবহার করে, বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টেও একই ধরনের এখতিয়ার কার্যকর রয়েছে। স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে বাংলাদেশের মানুষ সবসময় অনুপ্রেরণা পেয়ে আসছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। এ সময় তিনি অভিযোগ করেন, অতীতে বিএনপির প্রায় ১০ লাখেরও বেশি নেতাকর্মী রাজনৈতিক নিপীড়নের শিকার হয়েছেন, যার ৯৯ শতাংশ মামলা আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোই দায়ের করেছিল।
ঢাকার যুক্তরাষ্ট্র মিশনের দেয়া এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে যে, মার্কিন দূতাবাস এই কর্মসূচির আয়োজন করে। এতে উপস্থিত ছিলেন ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক আবদুস সালামসহ বিভিন্ন শিক্ষাবিদ ও সংবিধান বিশেষজ্ঞরা। অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টেনসেন বলেন, ধারাবাহিক বিতর্ক, ঐকমত্য তৈরির চেষ্টা, ক্ষমতার পৃথকীকরণ এবং বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও সাংবিধানিক সংশোধনী যুক্ত করার অধিকারের কারণেই মার্কিন সংবিধান একটি টেকসই ভিত্তি পেয়েছে। ২০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে যুক্তরাষ্ট্রের এই সংবিধান বিশ্বের বিভিন্ন দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে উৎসাহিত করে আসছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
সূত্র: মানবজমিন



















